Home » জীবনধারা » আজই জেনে নিন ঘুম না এলে কি করনীয়!
আজই জেনে নিন ঘুম না এলে কি করনীয়!
আজই জেনে নিন ঘুম না এলে কি করনীয়!

আজই জেনে নিন ঘুম না এলে কি করনীয়!

আপনার যদি ঘুমাতে সমস্যা হয়ে থাকে অথবা শুয়ে থাকার পরও ঘুম না আসে তবে বেশ কিছু কারণে তা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে মানসিক চাপ। এর কারণে বহু মানুষই অনিদ্রায় ভোগেন। ব্যস্ততার কারণে কিংবা নানা মানসিক চাপে বা টানাপড়েনে এমনটা হয়ে থাকে। যখনই ঘুমাতে চেষ্টা করেন তখন অনেকেই আছেন যারা প্রেম-বিরহ সম্পর্কঘটিত চিন্তা, আর্থিক চিন্তা, কর্মক্ষেত্রের চিন্তা, নিরাপত্তাহীনতা,নানা বিষয়ের সমসয়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ার চিন্তা, অসুস্থতা, মৃত্যুচিন্তা ইত্যাদি নানাবিধ চিন্তা করে থাকেন। এই চিন্তা গুলো আপনার ঘুমকে কেড়ে নেয়।

এমন সব সমস্যায় আপনার ঘুম আসার কথা নয়, আর এইসকল সমস্যার বাস্তব সমাধান করা প্রায় অসম্ভব। আর এর সঙ্গে বাড়তি সমস্যা হিসেবে যোগ হয় ঘুমের সমস্যাটি। ঘুমের সমস্যা সমাধানের বদলে মস্তিষ্ককে প্রশিক্ষণ দিতে হয়। আপনার মস্তিষ্ককে যা বলা হয়, সে তাই বিশ্বাস করে। আর এ সুবিধাটি নিয়ে মস্তিষ্ককে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দিতে হবে যেন, আপনার ঘুমের সমস্যা দূরে চলে যায়। ঘুম সমস্যা সমাধানে মস্তিষ্ককে ৫টি কথা বলার বিষয় উল্লেখ করেছেন জীবনযাপন প্রশিক্ষক ক্যাট ফর্সিথ। যে ৫টি কথা বলতে হবে-

১. মস্তিষ্ক শোন, আমি সে বিষয়টি নিয়ে এখন আর চিন্তা করতে চাইছি না। আমি জানি, তুমি তা করতে চাও। কিন্তু আমি তা তোমাকে করতে দেব না। তার বদলে আমরা আনন্দময় এ বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করব।

২. আমার মা সব সময় বলতেন, বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ (সবক্ষেত্রে হুবহু সত্য না হলেও মস্তিষ্ককে তা বোঝাতে হবে)। তিনি আরও বলতেন, ঘুমের সময় অন্য সব বিষয় বর্জনীয়। অত্যন্ত সত্য কথা।

৩. এ বিষয়ে আমি একটি ছুটি নিতে পারি। কারণ এ বিষয় ঠিক করার জন্য সকাল না হওয়া পর্যন্ত আমার কাছে কোনো উপায় নেই। আর তাই আমি যদি এখন ছুটিতে থাকতাম তাহলে বিষয়টি কেমন হতো?

৪. মন শান্ত করার জন্য মনে মনে একটি বাক্য বারবার বলতে থাকুন। এটি হতে পারে, ‘আমি নিরাপদ ও শান্ত।’ অনেকে ধর্মচর্চা কিংবা প্রার্থনা করেও এ ক্ষেত্রে উপকার পান।

৫. ঠিকভাবে ঘুম এলে নিজেকে কোনো পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করুন এবং সেজন্য মস্তিষ্ককে উদ্দীপ্ত করুন।

আপনি এসব কথাগুলো ঠিকভাবে মেনে দেখতে পারেন। হয়তো দেখা যাবে আপনার ঘুমের সমস্যাটি মিটে গেছে। আর যদি এর পরেও আপনার ঘুম না আসে তবে আপনি কোন বিশেসজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চিকিৎসকরা ঘুমের ওষুধের সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ওপরের কাজগুলো মেনে চললে আপনার সমস্যা নিরসনে কিছুটা সময় লাগলেও এ ক্ষেত্রে হাল না ছাড়াই ভালো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: