Home » খেলাধুলা » অ্যাথলেটিকস » ইতিহাসে প্রথমবারের মত বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন দুই নারী!
ইতিহাসে প্রথমবারের মত বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন এই দুই নারী!
ইতিহাসে প্রথমবারের মত বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন এই দুই নারী!

ইতিহাসে প্রথমবারের মত বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন দুই নারী!

সাঁতরে বঙ্গোপসাগরের গন্তব্যহীন পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য বেশ সাহসী মানসিকতার দরকার আছে বৈকি! কিন্তু অববলীলায় সেই কাজটিই করে দেখালেন পূর্ণিমা এবং মিতু। অন্যান্য সাঁতারুদের সাথে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন বাংলার এই দুই নারী।

গত সোমবার ১৯শে মার্চ, বেলা ১১টার দিকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে, বাংলা চ্যানেল আবিস্কারক প্রয়াত সাঁতারু কাজী হামিদুল হকের স্মৃতীচারণ অনুষ্ঠানে একটি সাঁতার প্রতিযোগীতার উদ্বোধন হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ অন্যান্য সাঁতারুদের সাথে শাহপরীর দ্বীপ জেটি থেকে সাঁতার শুরু করেন পূর্ণিমা ও মিতু। তাদের লক্ষ্য ছিলো ১৬.১ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিবেন। একটু আগে পিছে করে তাদের সবাই পাড়ি দিয়েছেন বাংলা চ্যানেল। তাদের মধ্যে বাংলার দুই অদম্য সাহসী নারী পূর্ণিমা এবং মিতু মাত্র ১ ঘন্টার মধ্যেই পৌঁছে যান বাংলা চ্যানেল এর মাঝামাঝি যায়গায়। তবে পুরো চ্যানেল পাড়ি দিতে তাদের সময় লেগেছে প্রায় ৪ ঘন্টা ৩০ মিনিট।

সাঁতারুদের গন্তব্যস্থল ছিলো সেন্টমার্টিন চর। সেখানো পৌছানো মাত্রই পূর্ণিমা এবং মিতুর নাম উঠে যায় বাংলার ইতিহাসের প্রথম নারীদের তালিকায় যারা কিনা সাঁতরে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার মত দুঃসাহসিক কাজ করেছেন। অনেকটা অসম্ভব কে জয় করার মতেই ব্যপারটি।

সাঁতার প্রতিযোগীতাটির আয়োজক ছিলো ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার ও এক্সট্রিম বাংলা। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ছিলো সহযোগী আয়োজক। এছাড়া উদ্ধার অভিযানে ছিলো বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এবং সিকিউরিটি পার্টনার ছিলো এলিট ফোর্স। এ প্রতিযোগীতার স্পন্সর সহযোগী ছিলো- ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, প্রিয়াঙ্গণ এবং অফরোড বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: