Home » জাতীয় » এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) পদে যোগদান পত্র গ্রহন না করায়-মানববন্ধন।
এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) পদে যোগদান পত্র গ্রহন না করায়-মানববন্ধন।

এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) পদে যোগদান পত্র গ্রহন না করায়-মানববন্ধন।

মোঃ গোলাম হোসেন খান জিলনঃ গতকাল রবিবার 17/02/19 ইং তারিখে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে
মানববন্ধন পালন করেন এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)পদে
আবেদনকারী 6 মাস মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সধারী নিবন্ধিত সহকারী শিক্ষক (আইসিটি) বৃন্দ ।
তারা মানব বন্ধনে বলেন, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ইং তারিখে এনটিআরসিএ কর্তৃক জারীকৃত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে
অনলাইনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক আবেদন করি। আর উক্ত আবেদনকারীদের ফলাফল জাতীয় মেধা তলিকা অনুসারে
সকল প্রকার যাচাই বাছাই শেষে গত ২৪ জানুয়ারী ২০১৯ইং তারিখে প্রকাশ করে সাথে সাথে সফলভাবে উত্তীর্ণ
আবেদনকারীকে মেধাতালিকা অনুসারে নির্দিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের নিমিত্ত্বে সুপারিশপত্র প্রদান করে। সুপারিশপত্রের
মাধ্যমে জানানো হয় যে, উত্তীর্ণ আবেদনকারীকে ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ইং তারিখের মধ্যে নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে যোগদান
করতে হবে আর যদি ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ইং তারিখের মধ্যে যোগদান না করে তবে উক্ত পদটি শুন্য হয়ে যাবে।
সুপারিশ পত্র পাওয়ার পর আমরা স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানে যোগদানের জন্য যাই। কিন্তু ইতিমধ্যে ২৭ জানুয়ারী ২০১৯ইং তারিখে
এনটিআরসিএ বিশেষ ঘোষণার মাধ্যমে ০৬ মাস ডিপ্লোমা কোর্সধারী নিবন্ধিত সহকারী শিক্ষক (আইসিটি) দের যোগদান
পত্র না নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের প্রতি আদেশ জারী করেন।
তাই আমরা বার বার প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সাথে যোগাযোগ করেও কোন সুরাহা হচ্ছে না। এরপর আমরা এনটিআরসিএ
চেয়ারম্যান সাহেবকে আমাদের বিষয়টি অবগত করে চিঠি দেই, কিন্তু চিঠির কোন প্রতি উত্তর না পেয়ে মাউশি, শিক্ষা
উপ-মন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর চিঠি দিয়েছি। এক এক সময় এনটিআরসিএ এক এক নিয়ম তৈরী করছে। সকল ক্ষেত্রে বলা
হচ্ছে এম.পি.ও নীতিমালা-২০১৮ অনুসরণ করতে। আরো উল্লেখ থাকে যে, এম.পি.ও নীতিমালা-২০১৮, (১-১২)তম
নিবন্ধনধারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মহামান্য আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক ২৭ জুলাই ২০১৭ইং তারিখে ০৬ মাস
মেয়াদী কম্পিউটার ডিপ্লোমা কোর্সধারীদের সনদের বৈধতা দিয়েছেন। এই রায়ের যোগ্যতায় ২০১৬ সালে এনটিআরসিএ
কর্তৃক প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক আবেদন পত্র আহবান করে যা মহামান্য আদালতের রায়ের ভিত্তিতে গত ২০ জানুয়ারী ২০১৯ইং
তারিখে আহবানকৃত আবেদনে ফলাফল প্রকাশসহ সুপারিশকৃতদের যোগদান নিশ্চিত করেছেন। শুধু আমাদের বেলায় এই
অনিয়ম। এখন বিভিন্ন তালবাহানা দেখিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমাদের নিয়োগ পত্র নিচ্ছে না ফলে আমরা কাজে
যোগদান করতে পারছি না। যোগাদন করতে না পেরে সুপারিশপ্রাপ্ত ০৬ মাস মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সধারী নিবন্ধিত
সহকারী শিক্ষক (আইসিটি) হতাশায় দিন অতিবাহিত করছি এবং সামাজিকভঅবে হেয় প্রতিপন্নের স্বীকার হচ্ছি। আমাদের
বেশিরভাগের সরকারী চাকুরীর বয়সসীমাও শেষ।
বর্তমান সরকররের ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের একজন  নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীদের দিক নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে আমরা জাতিকে এগিয়ে নিতে চাই। এমতাবস্থায় আমাদের বিষয়টি মানবিক
দিক থেকে বিবেচনা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীসহ এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের দৃষ্টি
আকর্ষণ করছি। সেই সাথে সম্মানিত গণমাধ্যমকর্মীদের আমাদের এ যৌক্তিক দাবির বিষয়টি প্রচার ও প্রকাশের ব্যবস্থা
করে হাজার হাজার বেকার কিন্তু মেধাবীদের আলোর পথ দেখাবেন এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের। আমরা শিক্ষাবান্ধব
বর্তমান সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: