Home » বিশ্ব » গাঁজা ফুঁকে আধমরা রেকুন, বাচাঁতে দমকল বাহিনী !
গাঁজা ফুঁকে আধমরা রেকুন, বাচাঁতে দমকল বাহিনী !
গাঁজা ফুঁকে আধমরা রেকুন, বাচাঁতে দমকল বাহিনী !

গাঁজা ফুঁকে আধমরা রেকুন, বাচাঁতে দমকল বাহিনী !

গাঁজা ফুঁকে আধমরা রেকুন, বাচাঁতে দমকল বাহিনী !

গাঁজা ফুঁকে আধমরা রেকুন, বাচাঁতে দমকল বাহিনী !

এমন অদ্ভুত সাহায্যপ্রার্থী আগে কোনোদিন আসেনি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানাপোলিস শহরের ওয়েন টাউন ফায়ার ডিপার্টমেন্টের কাছে। গভীর রাত্রিতে অবিরাম বেলের শব্দে তন্দ্রা ছুটে যায় সেখানকার সকল দমকলকর্মীর। হন্তদন্ত হয়ে দরজা খুললে দেখা যায় এক নারী তার পোষা রেকুনকে কোলে নিয়ে দড়জার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।

সমস্যা কি তা জানতে কারন জিজ্ঞেস করতেই জানা গেলো, কোথাও কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি, এমনকি ওই নারীর পোষা রেকুনটিও মারা যায়নি। আসল ঘটনাটি হচ্ছে, অতিরিক্ত গাঁজা সেবন করায় তার পোষা রেকুনটির অবস্থা খুবই খারাপ। এমতাবস্থায় কী করা উচিত, কিছু বুঝে উঠতে পারছিলেন না সেই নারী। তাই শরণাপন্ন হয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের দড়জায়।

ফায়ার সার্ভিসের ক্যাপ্টেন মাইক প্রাইট সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, রেকুনটি অবসন্ন ও নিরুদ্যম ভঙ্গিতে শুয়েছিল। গাঁজা সেবনের পর মানুষের মধ্যে যেসব উপসর্গ দেখা দেয় রেকুনটির মধ্যেও প্রায় সেগুলো দেখা যাচ্ছিল।

দুর্ভাগ্যবশত, রেকুনটির জন্য তেমন কিছু করার ছিল না দমকলকর্মীদের। তারা ওই নারীকে তার পোষা রেকুনসহ বাড়ি পাঠিয়ে দিলেনন।

শেষে দমকলকর্মীরা টুইটারে ঘটনার বিবরণসহ শেয়ার করেন। পোস্টের সঙ্গে জুড়ে দেন গাঁজা ফুঁকে চোখ লাল করে থাকা একটি রেকুনের ইলাস্ট্রেশন। আর এটাই পরিণত হয় সোশ্যাল মিডিয়ার একটি ভাইরাল ইভেন্টে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এ সম্পর্কে নিজেদের মজার মজার মতামত পেশ করছেন।

একজন মন্তব্যে লিখেছেন, গাঁজা সেবনের পর অসুস্থ হয়ে যাওয়া রেকুনটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তাকে ফায়ার সার্ভিসে কেনো নিয়ে আসা হলো? এখানে আসলে কে রেকুনটিকে গাঁজা সেবন করিয়েছিলেন সেটা পরিষ্কার নয়!

এটা এখনও কেউ নিশ্চিত না, কীভাবে একটা রেকুন গাঁজা ফুঁকে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। তবে কয়েক মাস পূর্বে আর্জেন্টিনার ৮জন পুলিশ সদস্য বহিষ্কার হয়েছিলেন। কারণ তারা দাবি করেছিলেন, পুলিশের গুদাম থেকে ৫০০ কেজি গাঁজা খেয়ে গেছে একদল ইঁদুর!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: