Home » ইসলাম » গুনাহ মাফের জন্য করণীয় আমল!
গুনাহ মাফের জন্য করণীয় আমল!
গুনাহ মাফের জন্য করণীয় আমল!

গুনাহ মাফের জন্য করণীয় আমল!

আল্লাহ তায়ালা মানুষকে কতই না ভালবাসেন। মানুষকে ভালবেসে সৃষ্টির সেরা জীব বানালেন। কিন্তু সেই মানব জাতি আমরা দনিয়াতে এসে আল্লাহকে ভুলে যাই এবং গুনাহের কাজে লিপ্ত হই। কিন্তু আল্লাহ তায়ালার সাথে এতো নফরমানি করার পর ও আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদেরকে ভুলেন না বরং আমাদেরকে মাফ করার জন্য বিভিন্ন ওসীলা খুঁজেন। কারন আমরা মানুষ গুনা করতে ভালবাসি আর আমাদের আল্লাহ রব্বুল আলামিন সেই গুনা মাফ করতে ভালবাসেন।

আবু  হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক নামাজের পর তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশবার আলহামদুলিল্লাহ, তেত্রিশবার আল্লাহু আকবার পড়ে এবং একশবার পূর্ণ করার জন্য একবারলা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইইন কাদিরপড়ে তার সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয় যদিও তা সাগরের ফেনাপুঞ্জের সমান হয়’ (মুসলিম)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন একশবার বলবে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইইন কাদিরঅর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। সব রাজত্ব তাঁর। সব প্রশংসা তাঁর। তিনি সব বস্তুর ওপর শক্তিশালীসে দশটি গোলাম আজাদ করার সমান সওয়াব লাভ করবে। আর তার নামে লেখা হবে একশটি নেকি এবং তার নাম থেকে দশটি গুনাহ মুছে ফেলা হবে। আর সেদিন সন্ধ্যা হওয়া পর্যন্ত সে শয়তানের (আসর বা ওয়াসওয়াসা) থেকে সংরক্ষিত থাকবে এবং কিয়ামতের দিন কেউ তার চেয়ে ভালো আমল আনতে পারবে না। একমাত্র সেই ব্যক্তি ছাড়া যে তার চেয়ে বেশি আমল করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন একশবারসুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহিপড়বে, তার সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে, যদিও তা (সংখ্যাধিক্যের দিক দিয়ে) সমুদ্রের ফেনাপুঞ্জের সমান হয়।’ (বুখারি মুসলিম)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘এমন দুটি বাক্য আছে যা মুখে উচ্চারণে হালকা (সহজে উচ্চারিত হয়), কিন্তু (ওজনে) ভারী এবং আল্লাহর কাছে প্রিয়, তা হচ্ছেসুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহি আজিম’ (বুখারি মুসলিম)

আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমি কি তোমাকে জান্নাতের একটি গুপ্তধনের কথা জানাব না। আমি বললাম, অবশ্যই হে আল্লাহর রসুল! তিনি বললেন, তা হলোলা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ (বুখারি মুসলিম)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমার কাছে সুবহানাল্লা ওয়াল হামদু লিল্লাহ ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আল্লাহু আকবার বলা দুনিয়ার সব জিনিসের চেয়ে বেশি প্রিয়।’ (মুসলিম)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: