Home » খেলাধুলা » চ্যাম্পিয়নস লিগে অঘটনের শিকার হয়ে রোমার হাতে বার্সার অবিশ্বাস্য বিদায়!

চ্যাম্পিয়নস লিগে অঘটনের শিকার হয়ে রোমার হাতে বার্সার অবিশ্বাস্য বিদায়!

ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে  প্রথমবার  চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিতে উঠল রোমা মঙ্গলবার রাতে ইতালিয়ান এই ক্লাব নিজেদের মাঠে দ্বিতীয় লেগের খেলায় বার্সেলোনাকে গোলে হারিয়েছেঅথচ ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়াটার ফাইনালের প্রথম লেগে ইউরোপ সেরার দৌড়ে হেভিওয়েট বার্সেলোনা রোমাকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে পৌঁছে যাওয়ার লড়াইয়ে একধাপ এগিয়ে গিয়েছিল। তাই সেমিতে যাওয়ার জন্য ইতালির ক্লাবটি অর্থ্যাৎ  রোমা বার্সেলোনাকে শুধু হারালেই হত না, রাখতে হত বড় ব্যবধান৷

কিন্তু বার্সার সাথে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে হারের পর সেমিফাইানালে ওঠার লড়াইয়ে রোমা তাদের ঘরের মাঠে কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগের লড়াইয়ে মুখোমুখি  হয়েই জয়তো পেলই সাথে বার্সাকে বিদায় করে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে চলে গেল। যেখানে স্বাগতিক রোমার মাঠে মেসি,সুয়ারেজরা গোলের খাতাই খুলতে পারলেন না৷ অপরদিকে জেকো, দি রোসি কোস্তাসের গোলে গোলে বার্সাকে হারল রোমা৷ আর সেই সাথে একপ্রকার অসাধ্য সাধন করে মেসিদের চ্যাম্পিয়নস লিগের লড়াই থেকে ছিটকে দিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছল রোমা৷

এদিকে প্রথম লেগে বড় ব্যবধানে হারা রোমাকে শেষ চারের টিকেট কাটতে করতে হতো অবিশ্বাস্য কিছু। রোমের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে দানিয়েলে দে রস্সির রক্ষণের উপর দিয়ে বাড়ানো বল বার্সেলোনা ডিবক্সে খুঁজে পায় এদিন জেকোকে। প্রথম ছোঁয়ায় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দ্বিতীয় স্পর্শে জালে ঠেলে দেন বসনিয়ার এই স্ট্রাইকার

এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে স্বাগতিকরা। একের পর এক আক্রমণে তারা কোণঠাসা করে ফেলে বার্সেলোনাকে।প্রথমার্ধে বারবার ভেঙে পড়ছিল বার্সার রক্ষণভাগ মেসিও নিজের ছায়া হয়েই ঘুরছিলেন অন্যদিকে, সুযোগ পেয়েও গোলসংখ্যা বাড়াতে পারেনি রোমা ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে সফল স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দে রস্সি। ডিবক্সে জেকোকে ডিফেন্ডার জেরার্দ পিকে টেনে ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় রোমা। হলুদ কার্ডও দেখেন স্প্যানিশ সেন্টার ব্যাক

ম্যাচের ৮২তম মিনিটে দারুণ কোনাকুনি হেডে স্কোরলাইন করে ফেলেন গ্রিক ডিফেন্ডার কোস্তাস মানোলাস। দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইনে সমতা। কিন্তু পার্থক্য গড়ে দেয় কাম্প নউয়ে এদিন জেকোর করা গোলটিমজার ব্যাপার হচ্ছে, প্রথম লেগে মানোলাসও আত্মঘাতী গোল করেছিলেন রোমার তৃতীয় গোলের পর বার্সার সেমিতে ওঠার স্বপ্নও বুঝি শেষ হয়ে গেল কারণ, এরপর আর ম্যাচে ফিরে আসতে পারেনি বার্সেলোনা প্রথম লেগে গোলের জয় আর দ্বিতীয় লেগে গোলের হার অ্যাওয়ে গোলের হিসাবে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় নিল বার্সেলোনাকিন্তু এরকম বিদায় বার্সা কোন ভাবে মেনে নিতে পারছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: