Home » অর্থনীতি » দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বেসরকারি খাত
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বেসরকারি খাত
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বেসরকারি খাত

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বেসরকারি খাত

দেশকে অর্থনৈতিক ভাবে উন্নয়নের জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসেছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বেপজা দেশের ইপিজেডগুলোকে ইতোমধ্যে বিনিয়োগের আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে দেশ-বিদেশে সুপরিচিত করেছে। যে কোন দেশের অর্থনীতির উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি বেসরকারি খাত। শিল্পের প্রসার, রফতানি খাত সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। সরকার দেশ ও বিদেশের বেসরকারি খাত কে সকল ক্ষেত্রে সহায়তাকারীর হিসাবে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

প্রধানম্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বেলা পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘বেপজা ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টরস সামিট ২০১৮’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

তিনি আরোও বলেন, আমাদের দেশে রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে রফতানি বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের পাশাপাশি দেশে শিল্প-উৎপাদনের দিকে নজর দেন। তিনি আমাদের দেশের পরিত্যাক্ত শিল্প কলকারখানাগুলো জাতীয়করণ করেন। মাত্র সাড়ে তিন বছর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনকালে বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার শতকরা ৭ ভাগের উপরে উঠেছিলে।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে হত্যার পর ৭৫-পরবর্তী সরকারগুলো সেসব কলকারখানা পানির দামে বিক্রি করে দেয়। তারা মানুষের উন্নয়নের পরিবর্তে নিজেদের ভাগ্যোন্নয়নে ব্যস্ত ছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে আমি সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পায় সে সময় থেকে আমি বেসরকারি খাতের উন্নয়নে কাজ শুরু করি।আমরাই প্রথম দেশে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিয়ে বেপজা ইনভেস্টরস্ কনফারেন্স করেছিলাম। সে সময় থেকে আমাদের দেশে চট্টগ্রাম ইপিজেড এবং স্বল্প পরিসরে ঢাকা ইপিজেড চালু ছিল। পরবর্তীকালে বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য আমরা ঢাকা ও চট্টগ্রাম ইপিজেডের সম্প্রসারণ করি এবং কুমিল্লা ইপিজেড স্থাপন করি।

তিনি বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বেপজার বিনিয়োগ দ্বিগুণের বেশি এবং রফতানি প্রায় আড়াই গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের ৮টি ইপিজেড মাত্র ২ হাজার ৩০৭ দশমিক ২৭ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। এই মোট ৮টি ইপিজেডে।

2 comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: