Home » জাতীয় » দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ে সরকারের সমালোচনায়
দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ে সরকারের সমালোচনায়
দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ে সরকারের সমালোচনায়

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ে সরকারের সমালোচনায়

গতকাল সোমবার ১৪দলের শীর্ষ নেতারা  আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির কার্যালয়ে ব্যাংকিং খাত এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।  ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতাছাড়া আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতিসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়ে খুব কম সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  সঙ্গে দেখা করবেন ১৪ দলের শীর্ষ নেতারা।

১৪দলের শীর্ষ নেতারা ব্যাংকিং খাতে অরাজকতা ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেন।আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন এই জোটের শীর্ষ নেতারা এই দুই খাতের লাগাম টেনে ধরার পরামর্শ ও দিয়েছেন সরকারকে।

বৈঠকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন,জাতীয় পার্টির (জেপি)মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম। সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিশেষ করে দেশের  চালের  ও চালের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। তিনি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, দ্রব্যমূল্য কেন বাড়ছে সেটাকে খতিয়ে দেখার দেখতে হবে।

এ বৈঠকে ব্যাংকিং খাতে বিরাজমান পরিস্থিতিকে অরাজকতার সঙ্গে তুলনা করে নেতাদের কয়েকজন বলেন, ব্যাংকিং খাতের অবস্থা ভালো নয়। সরকারের ব্যাংকিং খাতের ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। তাই সরকারকে ব্যাংকিং খাতের বিপর্যয় রোধে  এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

বৈঠকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় পরবর্তী সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাজা হতে পারে বলে, মনে করছেন কয়েকজন নেতা  । রায় ঘোষণার পর বিএনপি সার্বিক পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে পারে।বিএনপি ও জামায়াত ইসলামী আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়েও ষড়যন্ত্রের পাঁয়তারা করছে ।

সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ূয়া ১৪ দলের উদ্যোগে বিভাগীয় শহরগুলোতে জনসভার প্রস্তাব দিলে তাতে সম্মতি দেন সব নেতা। তাদের দৃষ্টিতে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় পরবর্তী সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে ১৪ দলগতভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে কমপক্ষে বিভাগীয় শহরগুলোতে জনসভা করা হবে। জনসভার মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ধ্বংসাত্মক চিত্রও তুলে ধরা হবে।

১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের (একাংশের) সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, গণতন্ত্রী পার্টির শাহাদাত হোসেন, তরীকত ফেডারেশনের মহাসচিব এমএ আউয়াল, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কার্যনির্বাহী সংসদের দুই সদস্য এস এম কামাল হোসেন ও অ্যাডভোকেট এ বি এম রিয়াজুল কবীর কাওছার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: