Home » ইসলাম » পবিত্র শবে বরাত আজ, জেনে নিন এ রাতের ফযিলত!
পবিত্র শবে বরাত আজ, জেনে নিন এ রাতের ফযিলত!
পবিত্র শবে বরাত আজ, জেনে নিন এ রাতের ফযিলত!

পবিত্র শবে বরাত আজ, জেনে নিন এ রাতের ফযিলত!

আজ ১ মে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালিত হবে যে রাতে মুসলমানেরা সারা রাত্রি আল্লাহ তায়ালার ইবাদত বন্দেগিতে কাটিয়ে দেন। তবে আপনি জানেন কি? শবে বরাত এর তাৎপর্য কি? ‘ভাগ্য রজনীহিসেবে পরিচিত লাইলাতুল বরাতের পুণ্যময় রাতটি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াতসহ ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে কাটিয়ে থাকেন

শবে বরাত সংক্রান্ত বর্ণনায় কোন কোন হাদিসে উল্লেখ পাওয়া যায়, রাতে আল্লাহ্তাঁর প্রেমসিক্ত ধর্মপরায়ণ বান্দাদের মাঝে তাঁর রহমত বরকত বর্ষণ করেন। মুসলিমদের মধ্যে কোন কোন গোষ্ঠী বিশ্বাস করেন, রাতে আল্লাহ্ সকল কিছুর ভাগ্য পুর্ণবন্টন করেন। কোন কোন সংস্কার মতে, রাতে কবর থেকে আত্মারা উঠে নিজ আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আসে। ফলে, রাতে বিভিন্ন এলাকার আবাসিক গৃহে আলোক প্রজ্জ্বলন করা হয়। তবে, ধরনের বিশ্বাস বা তথ্য কুরআন কিংবা হাদিস দ্বারা সমর্থিত নয়

শবে বরাত সম্পর্কে মুরতাদ্বা থেকে বর্নিত, নবী করিম (সা) এর বানী, যখন শাবানের ১৫তম রাতের আগমন ঘটে তখন তাতে কিয়াম (ইবাদত) করো আর দিনে রোযা রাখো। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা সূর্যাস্তের পর থেকে প্রথম আসমানে বিশেষ তাজাল্লী বর্ষণ করেন, এবং ইরশাদ করেন, কেউ আছ কি আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থণাকারী? তাকে আমি ক্ষমা করে দিব। কেউ আছ কি জীবিকা প্রার্থনাকারী? তাকে আমি জীবিকা দান করব। কেউ কি আছ মুসিবতগ্রস্ত? তাকে আমি মুক্ত প্রদান করব। কেউ এমন আছ কি? এভাবে সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ পাক তার বান্দাদেরকে ডাকতে থাকবেন। সুনানে ইবনে মাযাহ, ২য় খন্ড, পৃঃ ১৬০, হাদিস নং১৩৮৮

প্রসঙ্গে হযরত আয়শা (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণিত আছে যে, নবী করিম (সা.) হযরত আয়শা (রা.) কে সম্বোধন করে বললেন, হে আয়শা! রাতে কি হয় জান? হযরত আয়শা (রা.) বললেন, আল্লাহ তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। রাসূল (সা.) বললেন, রাতে আগামী বছর যত শিশু জন্ম নিবে এবং যত লোক মারা যাবে তাদের নাম লেখা হয়, মানুষের বিগত বছরের সব আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয় এবং মানুষের রিজিক অবতীর্ণ হয়। (মিশকাত শরীফ ১ম পৃ. ১১৫)

যতদূর সম্ভব অনাড়ম্বরভাবে কবর জিয়ারত করো। হাদিসে হযরত আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এক রাতে রাসূল (সা.) কে হারিয়ে ফেললাম। অতঃপর আমি তাঁকে খুঁজতে বের হলাম। অবশেষে তাকে জান্নাতুল বাকীতে পেলাম। আমাকে দেখে তিনি বললেন, আয়শা তুমি কি আশঙ্কা করছ যে, আল্লাহ তাঁর রাসূল তোমার প্রতি জুলুম করবেন? হযরত আয়শা (রা.)বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূলআমি ধারণা করেছিলাম, আপনি হয়তো আপনার অন্য কোন স্ত্রীর কাছে গিয়েছেন। অতঃপর রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন, ১৫ শাবান আল্লাহ তাআলা পৃথিবীর আকাশে অবতরণ করেন এবং বনুকাল্ব গোত্রের মেষের পশম অপেক্ষা অধিক লোককে ক্ষমা করেন। (তিরমিযী১ম খঃ পৃ. ১৫৬)

উল্লেখ্য যে,আরবে বনুকাল্ব গোত্রের অধিক মেষ ছিল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: