Home » জাতীয় » অপরাধ » পাবনা-সিরাজগঞ্জে মশা-মাছির কবলে পড়ে হুমকির মুখে গো-সম্পদ
পাবনা-সিরাজগঞ্জে মশা-মাছির কবলে পড়ে হুমকির মুখে গো-সম্পদ
পাবনা-সিরাজগঞ্জে মশা-মাছির কবলে পড়ে হুমকির মুখে গো-সম্পদ

পাবনা-সিরাজগঞ্জে মশা-মাছির কবলে পড়ে হুমকির মুখে গো-সম্পদ

মশা-মাছির উপদ্রবে বিপাকে পাবনা-সিরাজগঞ্জ জেলার দুগ্ধখ্যাত এলাকার বাসিন্দারা। মশা-মাছির আক্রমণে স্থানীয় খামারের গরুগুলো খুরা ও স্বাস্থ্যহানীসহ বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এতে তাদের কমপক্ষে দেড় কোটি টাকা লোকশান হয়েছে। আর একারনে তারা বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেও তারা এই সমস্যার কোনো প্রতিকার করতে পারছেন না।

মশা-মাছির আক্রমণ থেকে গরু-ছাগল রক্ষার জন্য তারা কৃষক ও গো-খামারিরা গোয়াল ঘরে ধুপ ও কয়েল জ্বালিয়ে রাখছেন। এছাড়া তারা গরু রক্ষার জন্য বিভিন্ন ধরনের কিটনাশক স্প্রে করে ও মশারিও টানিয়ে রাখছে। মশা-মাছির অত্যাচারে গরু খেতে,বসতে ও ঘুমাতে না পারায় দুধের উৎপাদন হ্রাস ও ফ্যাট কমে গেছে। ফলে কৃষকরা দুধ বিক্রি করেও লোকসান গুনছেন।এতে স্থানীয় দুগ্ধশিল্প হুমকির মুখে পড়েছে।

তারা দাবি জানান, গত ৫০ বছরের মধ্যে তারা এরকম মশা-মাছির কবলে আগে কখনো পড়েনি। মশা-মাছির অত্যাচারে এ এলাকার ২৫টি বাথানে ৫-৭ হাজার গরু রাখাই দায় হয়ে পড়েছে। গরুর ওলান ও বাটে মশা-মাছি বসে এমন ভাবে রক্ত খায় যে, সেখান থেকে রক্ত ঝরে। এরপর ঘা হয়ে পচন ধরে। এ অবস্থায় গরু বাথানে থাকতে চায় না। দড়ি ছিঁড়ে অন্যত্র চলে যায়। এ ছাড়া রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে অনেক গরু।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, ‘পরিস্থিতি এতোটা ভয়াবহ না হলেও এ এলাকায় মশা-মাছির উপদ্রব আছে। আমরা খামারিদের নানা পরামর্শ দিয়ে গো-সম্পদ রক্ষায় কাজ করছি। এছাড়াও চলতি মাসেই খামারিদের মাঝে বিনামুল্যে ওষুধসহ বেশ কিছু স্প্রে মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। এরপরেও সরকারিভাবে এ এলাকায় মশা-মাছি নির্মূলে কোনো পদক্ষেপ নেয়া যায় কিনা তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: