Home » বিশ্ব » পেট্রোপোল সীমান্ত কর্মীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশি অন্তঃসত্ত্বাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ
পেট্রোপোল সীমান্ত কর্মীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশি অন্তঃসত্ত্বাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ
পেট্রোপোল সীমান্ত কর্মীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশি অন্তঃসত্ত্বাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ

পেট্রোপোল সীমান্ত কর্মীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশি অন্তঃসত্ত্বাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ

পেট্রোপোল সীমান্ত কর্মীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশি অন্তঃসত্ত্বাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ

পেট্রোপোল সীমান্ত কর্মীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশি অন্তঃসত্ত্বাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ

ভারতের পেট্রাপোল আন্তর্জাতিক সীমান্তের অভিবাসন দফতরের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এক বাংলাদেশি অন্তঃসত্ত্বা নারীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। টানা ৫ ঘন্টা দাঁড় করিয়ে রাখায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই মহিলা। এরপর তাকে ভারতের চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ক্রমেই অবস্থার অবনতি হওয়ার কারণে তাকে কলকাতার আর. জি. কর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

বনগাঁ পুলিশের সূত্রমতে জানা গিয়েছে, অর্পিতা পাল নামের ওই মহিলা বর্তমানে ভারতের বালিগঞ্জের বাসিন্দা। ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অর্পিতা গত শনিবার সকালের দিকে পেট্রাপোল সীমান্তের অভিবাসন দফতরে একটানা দাঁড়িয়ে থাকে। দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকার ফলে তার রক্তপাত শুরু হয়। খবর পেয়ে পেট্রোপোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিদ্ধার্ত মন্ডল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর গুরুতর অবস্থায় অসুস্থ অর্পিতাকে চিকিৎসার জন্য বনগ্রাম নিয়ে আসেন। কিন্তু ক্রমেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে পরে তাকে কলকাতা আর.জি.কর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

ঘটনাসূত্রে জানা গেছে, পূর্বে অর্পিতা পাল বাংলাদেশের বাসিন্দা ছিলেন। গত আট মাস আগে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জের বাসিন্দা আনন্দ দাসগুপ্তের সঙ্গে বিবাহ হয়। গত ১০ এপ্রিল বিমানে করে অর্পিতাকে নিয়ে বাংলাদেশে বেড়াতে যান আনন্দ। এরপর গত শনিবার সকালে বাংলাদেশ থেকে হরিদাসপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফিরে আসার সময় পেট্রাপোল অভিবাসন দফতরে স্বামীর সাথেই পাসপোর্ট চেকিং’এর জন্য দাঁড়ান অর্পিতা। এসময় তার তাঁর পাসপোর্টটি পরীক্ষা করে দেখেন স্বপন দফাদার নামে এক অভিবাসন কর্মকর্তা।

স্বামী আনন্দ দাসগুপ্তের পাসপোর্ট ভারতীয় হলেও অর্পিতার পাসপোর্ট বাংলাদেশি হওয়ায় অভিবাসন কর্মকর্তা স্বপন দফাদার অর্পিতাকে নানা প্রশ্নে জর্জরিত করে তোলে। এক পর্যায়ে স্বামী আনন্দ দাসগুপ্তকে বলা হয় তার স্ত্রীকে রেখে যেনো সে চলে যায়। এসময় টানা ৫ ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে অর্পিতা।

ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতীয় নাগরিক আনন্দ দাসগুপ্ত অভিযোগ বলেন, ‘রুপির জন্য অভিবাসন দফতরের কর্মকর্তারা সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। এমনকি নারী যাত্রীদেরও রেহাই দেওয়া হয় না’।

তিনি আরো বলেন ‘এর আগে বাংলাদেশ থেকে ঘুরে গেলেও এদিনের মতো অভিজ্ঞতা আর কখনও হয়নি। এদিন স্বপন দফাদার নামে এক কর্মকর্তা এসে আমার স্ত্রী’র পাসপোর্টটি নিচে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। আমার স্ত্রী’র বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেখে স্ত্রীকে ছেড়ে আমাকে চলে যাওয়ার কথা বলেন ওই কর্মকর্তা’। তাঁর প্রশ্ন ‘সেটা কি কখনও সম্ভব?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: