Home » খেলাধুলা » ফ্রেঞ্চ লিগে নেইমারকে ছাড়াই মোনাকোকে হারিয়ে শিরোপা জিতল পিএসজি!
ফ্রেঞ্চ লিগে নেইমারকে ছাড়াই মোনাকোকে হারিয়ে শিরোপা জিতল পিএসজি!
ফ্রেঞ্চ লিগে নেইমারকে ছাড়াই মোনাকোকে হারিয়ে শিরোপা জিতল পিএসজি!

ফ্রেঞ্চ লিগে নেইমারকে ছাড়াই মোনাকোকে হারিয়ে শিরোপা জিতল পিএসজি!

ফরাসি জায়ান্ট পিএসজি তাদের প্রাণ ভোমরা নেইমারকে ছাড়াই ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়নস লিগে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে ফিরতি লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল। কিন্তু সেই ম্যাচে নেইমার এর অভাব পুরোপুরি টের পেয়েছিল পিএসজি। আর সেই সাথে ম্যাচটি হেরে গিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় নিতে হয় পিএসজিকে। তবে এর পর থেকে আর নেইমারের অভাব আর বুঝতে দেননি এমবাপ্পে, কাভানিরা।

ব্রাজিলীয় ফুটবল তারকা নেইমারকে ছাড়াই একে একে সব ম্যাচ জিততে থাকে পিএসজি। আর তারই ফলস্বরুপ  ফ্রেঞ্চ লিগে কদিন আগে  লিগ ওয়ানের শিরোপা জিতে ছিল পিএসজি এবার আবার ফরাসি জায়ান্টরা ফ্রেঞ্চ লিগের শিরোপাও জিতে নিলঘরের মাঠে মোনাকোকে নাস্তানবুদ করেছে কাভানিরা গোলের বিশাল জয় পেয়েছে পিএসজি আর জয়ে ম্যাচ হাতে রেখেই ফ্রেঞ্চ লিগের শিরোপা ঘরে তুলে নিল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন এর ফলে এক মৌসুম পর আবারও ফ্রেঞ্চ লিগের শিরোপা ঘরে তুললো তারা শেষ ছয় মৌসুমের ৫টিতেই চ্যাম্পিয়ন প্যারিসের এই দলটি

এদিকে মোনাকোর বিপক্ষে গতকালকে ম্যাচের ১৪ মিনিটেই লো সেলসোর গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি ডি বক্সের ডান পাশ থেকে দানি আলভেজের বাড়ানো বলে পা ছুইয়ে সেটিকে গোল রূপান্তর করেন আর্জেন্টাইন এই মিডফিল্ডার। ১৭ মিনিটে আবারও পিএসজির গোল। এবার গোলদাতার তালিকায় নাম লেখান উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার এডিনসন কাভানি। লিগে এটি পিএসজির ১০০তম গোল। এই গোলের ফলে ইব্রাহিমোভিচের পিএসজির হয়ে লিগে করা ১১৩ গোলের মাইলফককে স্পর্শ করলেন তিনি

অপরদিকে কাভানির গোলের তিন মিনিট পরেই গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। কাভানির কাছ থেকে বল পেয়ে গোলকিপারের মাথার উপর দিয়ে আলতো করে ট্যাপ ইনে গোল করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ডি মারিয়া। ২৭ মিনিটে পিএসজির হয়ে চতুর্থ এবং নিজের ২য় গোল করেন লো সেলসো। গোলে পিছিয়ে পরেও মনোবল হারায় নি মোনাকো। ৩৮ মিনিটে রনি লোপেজের সহায়তায় এক গোল শোধ দেয় তারা

এরপর বিরতি থেকে ফিরেও চলে পিএসজির আক্রমণ। ৫৮ মিনিটে পাস্তোরের সহায়তায় ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ডি মারিয়া। গোলে এগিয়ে থেকেও বল দখলে মোনাকোর থেকে যোজন যোজন এগিয়ে থাকে পিএসজি। ৭৬ মিনিটে আবারো এগিয়ে যায় নেইমারের দল। এবার মোনাকোর স্ট্রাইকার ফ্যালকাও নিজেদের জালেই বল পাঠান। আত্মঘাতী গোলের সুবাদে গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি

আর ম্যাচের ৮৬ মিনিটে ড্রাক্সলারের গোলে গোলের বড় জয় নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েই মাঠ ছাড়ে পিএসজি। সপ্তম শিরোপা জয়ের মৌসুমে ৩৩ ম্যাচে ২৮ জয়, হার এবং ড্রতে ৮৭ পয়েন্ট নিয়ে লিগ চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে এখনও দ্বিতীয় স্থানে থাকার লড়াই করছে মোনাকো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: