Home » খেলাধুলা » ক্রিকেট » বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ের আজকের ম্যাচকে ঘিরে যত রেকর্ড
বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ের আজকের ম্যাচকে ঘিরে যত রেকর্ড
বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ের আজকের ম্যাচকে ঘিরে যত রেকর্ড

বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ের আজকের ম্যাচকে ঘিরে যত রেকর্ড

ত্রিদেশীয় সিরিজে ধীরে ধীরে খেলা বেশ উপভোগ্য হচ্ছে। আর এদিকে আজকের ম্যাচ জিতলে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল অধিনায়ক হবেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। মাশরাফি তার অধিনায়কে আজকে জিততে পারলে তিনি ছাড়িয়ে যাবেন তার স্বদেশী আরেক বাংলাদেশী স্বাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমনকে।আর ত্রিদেশীয়‘সিরিজের এখন যে অবস্থা তাতে শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়ের দুই দলই এখন বাংলাদেশের কৃপা-প্রার্থী হতে পারে।’ ত্রিদেশীয় সিরিজে পয়েন্ট তালিকার  দিকে তাকালে তাতে বাংলাদেশের সাধারণ কোনো ক্রিকেটপ্রেমী এ রকম কথা বলে ফেললে তাঁকে দোষ দেওয়া যাবে না। নিজেদের মধ্যে একটি করে ম্যাচ জিতে এখন মোটামুটি একই বিন্দুতে দাঁড়িয়ে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কা। দুই দলের পয়েন্টই সমান (৪), তবে নেট রানরেটের ব্যবধানে সামান্য এগিয়ে জিম্বাবুয়ে। কাজেই ফাইনালে যাওয়াটা দুই দলের জন্যই নির্ভর করছে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের ওপর।

অনুশীলন শেষে জিম্বাবুয়ের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান পিটার মুরে ও একথা বললেন যে, ‘আমরা একটি লক্ষ্য নিয়ে এখানে এসেছি, শুধু অংশগ্রহণের জন্য নয়। বাংলাদেশের সাথে ভালো খেলতে দলের সবাই খুবই মুখিয়ে আছে এবং সেই সাথে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল ও খেলতে পারলে সেটা বিশাল ব্যাপার হবে দলের জন্য।’

এদিকে সামনে মার্চ মাসে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের জন্য বাংলাদেশের এই ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকেই জিম্বাবুয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে যেতে পারলে সেটা দলের জন্য অনেকটা ভালো হবে। কিন্তু প্রথম ম্যাচে অমন হতাশা-জাগানিয়া হারের পর বাংলাদেশকে হারানোর স্বপ্নটা কি ‘দুঃসাহস’ হয়ে যাচ্ছে না! মুর একেবারেই একমত নন এর সঙ্গে, ‘প্রথম ম্যাচে অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল না। কিন্তু উইকেট আর কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে আমরা সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছি। আমাদের সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশকে হারানো সম্ভব।’

কিন্তু বাংলাদেশকে হারানো এতটা সহজ নয় বলাটা যত সহজ, সেটা স্বীকার করছেন জিম্বাবুয়ের এই ক্রিকেটার, সে এটাও বলেছেন ‘আমরা সবাই জানি, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি স্পিন। তা ছাড়া শেষের দিককার ওভারগুলোয় মোস্তাফিজ আর রুবেল রীতিমতো ভয়ংকর। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় এনেই ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিগুলো নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি। আমার বিশ্বাস আমরা সেটা করতে সক্ষম হবো।’

আজ সত্যিই যদি বাংলাদেশকে জিম্বাবুয়ে হারিয়ে দেয় সেক্ষেত্রেও  সবকিছু হয়ে যাচ্ছে না। চাতকের মতো চেয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের দিকে। এদিকে জিম্বাবুয়েকে ভাবাচ্ছে মিরপুরের উইকেটও। তিন ম্যাচে তিন ধরনের উইকেট পেয়ে খানিকটা অবাক মুর, ‘তারা যে তিনটা ম্যাচ খেলেছে, সেখানে তিনটি ম্যাচের উইকেটই আলাদা।একদিকে কিন্তু তিনটি উইকেট সম্পর্কে একটা ভালো ধারণা হয়ে গেছে।যেখানে কোনো দিন ২৮০ ভালো স্কোরে,আবার কোনো দিন ২৫০ আবার কোনো দিন ২০০ রানও ভালো। এখন আমাদের কাজ হলো, যে উইকেটই আমাদের সামনে আসুক না কেন তার জন্য প্রস্তুত থাকা দরকার।জিম্বাবুয়ের ফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণের প্রাথমিক শর্ত হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: