Home » জাতীয় » অপরাধ » মাটির নিচ দিয়ে গরু প্রবেশ করছে বাংলাদেশে!
মাটির নিচ দিয়ে গরু প্রবেশ করছে বাংলাদেশে!
মাটির নিচ দিয়ে গরু প্রবেশ করছে বাংলাদেশে!

মাটির নিচ দিয়ে গরু প্রবেশ করছে বাংলাদেশে!

ভারত থেকে বাংলাদেশে সীমান্তে গরু পাচার করা এটি নিয়মিত ঘটনা। আর এই পাচারের সময় প্রায়ই শোনা যায় বিএসএফ এর গুলিতে বাংলাদেশী নিহত।তবে তাই বলে কি থেমে থাকবে পাচার! এবার পাচারকারীরা তাদের ধরন পাল্টে ফেলছে। দুই দেশের পাচারকারীরা গরু পাচারের ক্ষেত্রে এখন সীমান্তে মাটির নিচ দিয়ে সুড়ঙ্গ পথ ব্যবহার করছেন।

ঈদকে সামনে রেখে গরুর পাচার আরো জমজমাট হচ্ছে।আর সেই সাথে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বাড়ছে তৎপরতা।কারণ উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন স্থান থেকে যে গরু মাত্র ৪ থেকে ৫ হাজার রুপিতে কেনা হয়, সেই গরু বাংলাদেশে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

ভারতের শিলচর সীমান্তে রক্ষী বাহিনীর পরিদর্শে মাটির নিচে গরু চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি গোপন সুড়ঙ্গ খুজে পেয়েছেন। আর এর পরই সারা ফেলছে প্রশাসন। গতকাল ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, কথিত ওই সিক্রেট টানেল বা গোপন সুরঙ্গটি ভারতের করিমগঞ্জ থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। টানেলটি বিএসএফের মদনপুর সীমান্ত ফাঁড়ির কয়েক মিটার দূর থেকে গহীন অরণ্যের ভূগর্ভে অবস্থিত। করিমগঞ্জের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত ৯২ কিলোমিটার।

গেল মাসেই করিমগঞ্জ হতে পুলিশের অভিজানে ১০ জন পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা এই গোপন সুড়ঙ্গ দলের নতুন সদস্য বলেই ধারনা করা হচ্ছে।

করিমগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌরব উপাধ্যায় এ বিষয়ে জানিয়েছেন, এ সপ্তাহের গোড়ায় বাংলাদেশী গরু চোর বিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশ ওই সুরঙ্গের হদিস পেয়েছে। দুই গরুচোরকে জিজ্ঞাসাবাদকালে ওই সুরঙ্গে বিষয় পুলিশকে চিনিয়ে দিয়েছে বলে পুলিশ সুপার দাবি করেন।

তিনি আরো জানান, বাংলাদেশী গরু চোরাচালানিরা চোরাচালানকে নির্বিঘ্ন করতে ভারতীয় স্থানীয়দের নিয়োগ দিয়ে থাকে। কালভার্টের পাইপগুলো ১০ থেকে ১৫ ফুট নিচে প্রোথিত। টহল দেয়ার সড়কগুলো সাধারণত ৩ ফুট ব্যাসের। করিমগঞ্জের এ রকম রাস্তা আছে ১০৬ কি.মি.। এর মধ্যে এরকম প্রায় ৬৩টি ‘প্রাকৃতিক শূণ্যতা’ রয়েছে। আর দুটি অংশের বড় দুটি জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া নেই। চোরাচালানি আগের চেয়ে কমেছে। কারণ বিএসএফ নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। তাই বিএসএফকে ফাঁকি দিতে এখন সুড়ঙ্গ পথও কাজে লাগানো হচ্ছে। তারা এটা প্রতিহত করতে সুড়ঙ্গগুলোতে আলোর ব্যবস্থা করবেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: