Home » স্বাস্থ্য » মৃত্যুর কারণ হতে পারে যে খাবারগুলো !!
মৃত্যুর কারণ হতে পারে যে খাবারগুলো !!
মৃত্যুর কারণ হতে পারে যে খাবারগুলো !!

মৃত্যুর কারণ হতে পারে যে খাবারগুলো !!

খাবার মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। কেউ পেট পুরে আয়েশ করে খাবার খায় আবার কেউ দিনে একবারও খাবার খেতে পারে না। যাই হোক খাবার এমন একটি বিষয় যা বাচাতেও পারে আবার মৃত্যুর কারনও হতে পারে। আবাক হলেন বুঝি! হ্যা এমন কিছু খাবার আছে যা খেলে আপনার মৃত্যুও হতে পারে। এমন কিছু খাবারের সাথে আজকে আপনি আজ পরিচিত হতে যাচ্ছেন।

অনেক খাবারই আমরা রোজ খাই, যা আমাদের মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। আপনি দুধ, বাদাম বা চিংড়ী/কাকড়ার সাথে খুবই পরিচিত। কখনো কি শুনেছেন এইসব খাবার খেয়ে কেই মরতে পারে? বা এত থাকতে পারে মরণ জীবাণু! হ্যা তাই, আসুন কিছু ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করে জীবনকে আরো সুন্দর ভাবে সাজিয়ে রাখি।

কাঁচা দুধে চুমুক নয়: বিজ্ঞাপনে বিশ্বাস করলেন কী মরলেন। বাজারে ছাড়ার আগে পাস্তুরায়ন করা হয়েছে, ঠিক আছে। আপনি দুধের প্যাকেট বাড়িতে এনে, নিজের পরিবারের সাবধানতার জন্য না-ফুটিয়ে খাবেন না। এমনকী গোয়ালার কাছ থেকে যে দুধ তাজা মনে করে নিচ্ছেন, তা-ও ভালো করে ছেকে ফুটিয়ে নিবেন। কারণ দুধের মধ্যে সলমোনেল্লা, ই-কোলাই, লিস্টেরিয়ার মতো মারণ ব্যাক্টেরিয়া্ থাকে। উচ্চ তাপমাত্রায় ভালো করে কয়েক বার না- ফোটালে, দুধ থেকে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। সাবধানের তো আর মার নেই তা তো জানেন নিশ্চয়ই।

কাঁচা কাজুবাদাম ও চিনাবাদামেও ঝুঁকি আছে: কাজু বাদাম অনেক দারুন একটা খাবার। কিন্তু তা কখনোই দোকান থেকে কিনে সরাসরি খাবেন না। কারন  তা আসলে রোস্টেড করা থাকে। গাছ থেকে পাড়া কাঁচা কাজু বাদাম তো ভুলেও খাবেন না। কারণ এত বিষক্রিয়ায় মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। নানা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে কাঁচা কাজুকে খাওয়ার উপযোগী করে বাজারজাত করা হয়। কাজুতে উরুসিয়ল নামে বিশেষ এক ধরনের বিষাক্ত টক্সিন থাকে যা থেকে ত্বকের নানা মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে চিনাবাদামও মৃত্যুর কারণ হতে পারে! যাদের অ্যালার্জি নেই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন তারা। তবে, না গিলে ভালো করে চিবিয়ে খাবেন। যদি অ্যালার্জির ভাব থাকে তাহলে সাবধান, একদমই নয়। ফুড অ্যালার্জির মধ্যে চিনাবাদাম থেকে মৃত্যুর ঘটনাই সবচেয়ে বেশি।

অঙ্কুরিত মটরশুটি খাবেন না: ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়ার তিন মূর্তি ই-কোলাই, সলমোনেল্লা ও লিস্টেরিয়া- তিনটেই উপস্থিত অঙ্কুরিত মটরশুটিতে। ২০১১ সালে জার্মানির একদল গবেষক অঙ্কুরিত মটরশুটির মধ্যে এই তিন ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়ার উপস্থিতি জানতে পারেন। ২০ জনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে তারা চিহ্নিত করেন অঙ্কুরিত মটরশুটিতে থাকা ই-কোলাইকে। আবার গবেষকরা বলেন পুরুষদের শুক্রাণুকে মেরে ফেলতে পারে অঙ্কুরিত মটরশুটি। যে কারণে বীর্যে শুক্রাণুর পরিমাণ কমে যায়।ফলে আপনি জীবন ঝুকিতে পরতে পারেন।

চিংড়ি -কাঁকড়া: বড় বড় চিংড়ি দেখে লোভ সামলাতে পারেন না অনেকেই যানি।তবে এই চিংড়ি বা কাকড়া নিয়মিত খাবার তালিকা তে না রাখাই আপনার জন্য মঙ্গল। শুধু চিংড়ি-কাঁকড়াই নয়, ঝিনুক-শামুক খাওয়ার সময়েও মাথায় রাখতে হবে যে এত প্রচুর পরিমানে থাকে মার্কারি।যা আপনার শরীরে বিষক্রিয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষত, যাদের অ্যালার্জির ধাত রয়েছে, এ ধরনের ‘শেলফিশ’ এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। নইলে চুলকানি, আর পেটেব্যথার মত অসহনীয় সমস্যায় ভুগতে হবে। আর যদি ‘অ্যানাফাইল্যাকটিক শক’ থাকে তা হলে তো কথাই নেই। দ্রুত চিকিৎ‌সা না-করালে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: