Home » খেলাধুলা » ম্যানচেস্টারকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে সেভিল্লা!
ম্যানচেস্টারকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে সেভিল্লা!
ম্যানচেস্টারকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে সেভিল্লা!

ম্যানচেস্টারকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে সেভিল্লা!

চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়াটার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে গতকাল রাতে সেভিল্লার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কিন্তু গতরাতে বড় অঘটনের শিকার হল আগের ম্যাচে লিভারপুলকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

অথচ আগের ম্যাচে লিভারপুলকে হারানো হোসে মোরিনহোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখবে, এমনটাই মনে করেছিল ফুটবল দুনিয়া প্রথম লিগে অ্যাওয়ে ম্যাচে সেভিল্লার সাথে গোলশূন্য ভাবে শেষ করেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তাই পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার জন্য দরকার ছিল শুধু জয়

আর তাই গতকাল রাতে জয়ের প্রত্যাশায় শুরুটা অবশ্য ভালোই করে হোম টিম। প্রথম মিনিটে লুকাকুর শট বাইরে। মিনিটে র‌্যাশফর্দের ফ্রিকিক বাঁচিয়ে দেন বিপক্ষ গোলকিপার। তবে এরপরই ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে স্পেনের দলটি। মিনিটে করেয়ার হেডার বাইরে। এরপর অবশ্য সেই রকম সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ দুদলই। প্রথমার্ধের  খেলা শেষ হয়  গোলশূন্যভাবে।

কিন্তু ঘরের মাঠে দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় ঘুরে দাড়ায় সেভিল্লা। ম্যাচের সিংহভাগ আক্রমণই করে বসে সেভিল্লা বিপরীতে স্বাগতিকদের ৫৩ মিনিটে করেয়ার শট গোল পোস্টের বাইরে। মাঝমাঠে আক্রমণ বাড়াবার জন্য তাই ফেলানির জায়গায় পোগবাকে নামান ম্যানচেস্টার কোচ। তবে তাতে কোনো বড়ো লাভ হয়নি।

সুযোগ পেয়ে মাঝমাঠে দাপিয়ে বসে সেভিল্লা। ৭২ মিনিটে পোগবার শট বাইরে। অবশ্য এরপরই মোক্ষম পরিবর্তন করেন সেভিল্লা কোচ। ৭২ মিনিটে মুরিয়েলের জায়গায় নামান বেন ইয়েডারকে। ক্রমশ চাপ বাড়াতে থাকে স্পেনের দলটি। ফলও পেয়ে যায় তারা 

৭৪ মিনিটেই গোল করে বসেন সদ্য মাঠে নামা বেন ইয়াডারের একক দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি তবে শেষ চেষ্টা করেছিলেন ম্যানচেস্টার কোচ একসঙ্গে দুটি পরিবর্তন করেন তিনি ৭৬ মিনিটে ভালেন্সিয়ার জায়গায় মাতা এবং লিঙ্গার্ডএর জায়গায় মারশিয়াল অবশ্য তাতে কিছুই হয়নি ৭৮ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে মাথা ছুঁইয়ে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি করে যান, সেই বেন ইয়াডার 

শেষদিকে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ইউনাইটেড। ৮২ মিনিটে সহজতম সুযোগ মিস করেন লুকাকু। বল জালে না ঢুকিয়ে বাইরে মারেন তিনি। তবে ৮৪ মিনিটে একটি গোল শোধ করেন সেই লুকাকু। কর্নার থেকে আসা বলে হেড করেন তিনি। এরপর, অবশ্য চাপ বাড়ালেও আর গোল করতে পারেনি তারা

আর এই জয়ের ফলে  আগের ম্যাচে গোল শূন্য ড্র হওয়ায় গোল ব্যাবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে জায়গা করে নিল সেভিল্লা অপরদিকে স্বাভাভিক ভাবেই এই হারে হতাশ ইউনাইটেড শিবির কোচ মোরিনহোর কথায়, যোগ্য দল হিসাবেই সেভিল্লা এই ম্যাচ জিতেছেআর আমরা এই ম্যাচে ভাল খেরতে পারিনি বিধায় কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে ব্যাথ হয়েছি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: