Home » জাতীয় » যে কারনে স্থায়ীভাবে রাখা যাচ্ছে না সব রোহিঙ্গাদের
যে কারনে স্থায়ীভাবে রাখা যাচ্ছে না সব রোহিঙ্গাদের
যে কারনে স্থায়ীভাবে রাখা যাচ্ছে না সব রোহিঙ্গাদের

যে কারনে স্থায়ীভাবে রাখা যাচ্ছে না সব রোহিঙ্গাদের

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণেই বাংলাদেশ সব রোহিঙ্গাকে স্থায়ীভাবে আশ্রয় দিতে পারছে না। তাছাড়া বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করলেও এখনও ধনী দেশ নয়। তাই প্রায় নিঃস্ব ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে স্থায়ীভাবে আশ্রয় দিলে বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত সাময়িকী দ্য ডিপ্লোম্যাটে শুক্রবার এক নিবন্ধে তিনি এসব মন্তব্য করেছেন।

জয় লিখেছেন, আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। বিশ্ব নেতারাও এর প্রশংসা করেছেন। নিপীড়িত এ জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বাংলাদেশ সরকার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

জয় লিখেছেন, গত আগস্ট থেকে মিয়ানমারের পশ্চিম রাখাইনের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। আগের বছরগুলোতে আশ্রয় নেওয়া লাখো রহিঙ্গার সঙ্গে যোগ দিয়েছে তারা। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর চলা নির্যাতনকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধনের প্রামাণ্য উদাহরণ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে এবং তাদের সহায়তা করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে। একইসঙ্গে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্যও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সম্প্রতি সম্মত হয়েছে দুই দেশ।

নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো দুটি সাংঘর্ষিক বিষয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখার কাজ করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য সম্ভাব্য সবকিছুই করবে এবং তাদের প্রত্যাবাসনের সময়ও মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করবে। তবে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে সরকারকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: