Home » ইসলাম » রোজা ভঙ্গ হলে করনীয়
জেনে নিন রোজায় ৩০টি অতি জরুরি মাসলা
জেনে নিন রোজায় ৩০টি অতি জরুরি মাসলা

রোজা ভঙ্গ হলে করনীয়

বিনা কারণে রোজা ভঙ্গ করলে তাকে অবশ্যই কাজা-কাফফারা উভয়ই আদায় করা ওয়াজিব। যতটি রোজা ভঙ্গ হবে, ততটি রোজা আদায় করতে হবে। কাজা রোজা একটির পরিবর্তে একটি অর্থাৎ রোজার কাজা হিসেবে শুধু একটি রোজাই যথেষ্ট। কাফফারা আদায় করার তিনটি বিধান রয়েছে।

একটি রোজা ভঙ্গের জন্য একাধারে ৬০টি রোজা রাখতে হবে। কাফফারা ধারাবাহিকভাবে ৬০টি রোজার মাঝে কোনো একটি ভঙ্গ হলে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।

যদি কারও জন্য ৬০টি রোজা পালন সম্ভব না হয় তাহলে সে ৬০ জন মিসকিনকে দুই বেলা খানা দেবে। অপর দিকে কেউ অসুস্থতাজনিত কারণে রোজা রাখার ক্ষমতা না থাকলে ৬০ জন ফকির, মিসকিন, গরিব বা অসহায়কে প্রতিদিন দুই বেলা করে পেটভরে খানা খাওয়াতে হবে।

গোলাম বা দাসী আজাদ করে দিতে হবে।

যেসব কারণে রমজান মাসে রোজা ভঙ্গ করা যাবে কিন্তু পরে কাজা করতে হয় তা হচ্ছে;

* মুসাফির অবস্থায়।

* রোগ-ব্যাধি বৃদ্ধির বেশি আশঙ্কা থাকলে।

* মাতৃগর্ভে সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে।

* এমন ক্ষুধা বা তৃষ্ণা হয়, যাতে মৃত্যুর আশঙ্কা থাকতে পারে।

* শক্তিহীন বৃদ্ধ হলে।

* কোনো রোজাদারকে সাপে দংশন করলে।

* মহিলাদের মাসিক হায়েজ-নেফাসকালীন রোজা ভঙ্গ করা যায়।

যেসব কারণে শুধু কাজা আদায় করতে হয় (অর্থাৎ একটির পরিবর্তে একটি) :

* স্ত্রীকে চুম্বন বা স্পর্শ করার কারণে যদি বীর্যপাত হয়।

* ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে।

* পাথরের কণা, লোহার টুকরা, ফলের বিচি গিলে ফেললে।

* ডুশ গ্রহণ করলে।

* বিন্দু পরিমান কোন খাবার খেলে তবে অনিচ্ছাকৃত ভাবে বা মনের ভুলে যা খাওয়াই হোক না কেন রোজা ভাংবে না তবে মনে

*  আসলেই তাকে তৎক্ষণাৎ খাবার খাওয়া বন্দ করে দিতে হবে।

*  নাকে বা কানে ওষুধ দিলে (যদি তা পেটে পৌছে)।

*  মাথার ক্ষতস্থানে ওষুধ দেওয়ার পর তা যদি মস্তিষ্কে বা পেটে পৌছে।

* যোনিপথ ব্যতীত অন্য কোনোভাবে সহবাস করার ফলে বীর্য নির্গত হলে।

* স্ত্রী লোকের যোনিপথে ওষুধ দিলে।

—-সুত্র-হাদিস/মাসলা মাসায়েল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: