Home » জীবনধারা » শীতকালে চুলের যত্ন নিবেন যেভাবে
শীতকালে চুলের যত্ন নিবেন যেভাবে
শীতকালে চুলের যত্ন নিবেন যেভাবে

শীতকালে চুলের যত্ন নিবেন যেভাবে

শীতকাল এলেই আমরা সকলেই নিজের যত্নে অলসতায় পরে যায়। ত্বকের সাথে সাথে শরীর স্বাস্থ্যের এমনকি প্রত্যহ জীবনধারায়ও। মেয়েদের অলংকার বলা হয় চুলকেই।নারীর সৌন্দর্য্যই কেশে।আর বেশিরভাগ নারীই শীতে চুলের যত্নে অবহেলা করে।আর এর ফলে চুলে ফাংগাল ইনফেকশন এর সম্ভাবনা দেখা যায়।

তাছাড়া, শীতকালে বাতাস শুষ্ক থাকার কারণে আমাদের চুলও শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। পাশাপাশি বাইরের ধুলাবালির প্রভাবও পড়ে মাথার চুলের উপর। ফলে খুসকি থেকে শুরু করে চুলের নানাবিধ সমস্যা দিনে দিনে বাড়তেই থাকে। তবে সাবধান হলে এসব সমস্যা থেকে নিজেকে দূরে রাখা সম্ভব। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক শীত মৌসুমে চুল সুস্থ ও সুন্দর রাখার করণীয়।

* শীতে অনেকেরই চুল পড়তে দেখা যায়। এই চুল পড়া রোধে তেল ও ক্যাস্টর অয়েল একসঙ্গে হালকা গরম করে নিন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে তাতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল ভেঙে অথবা ডিমের কুসুম মিশিয়ে চুলে লাগান। এতে চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে।

*শীতে বেশীর ভাগ মানুষের চুল রুক্ষ আর শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই রুক্ষ এবং নিষ্প্রাণ চুলের জন্য আধা কাপ পালং শাক, ১ চা চামচ মধু এবং ১ চা চামচ অলিভ অয়েল বা নারিকেল তেল নিয়ে ব্লেন্ডারে ভালো মতো ব্লেন্ড করুন। এরপর এই মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। চুলে সিল্কি ভাব আসবে ও চুল হবে মসৃণ ও প্রাণবন্ত।

* চুলের ডগা ফেটে গেলে চুল রুক্ষ হয়ে যায় এবং চুল বাড়তে সমস্যা হয়। ফলে চুলের ওই অংশ কেটে বাদ দিলে চুলের বৃদ্ধিতে কোনো বাধা থাকবে না। এছাড়া চুলের নিচের অংশ অল্প করে কেটে নিলে চুলের ডগা ভালো থাকবে।

* খুশকির সমস্যা দূর করতে এক মুঠো জবা পাতা আর সমপরিমাণ মেহেদি পাতা পেস্ট করে নিয়ে তাতে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলে দিতে পারেন। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

* সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিনের বেশি শ্যাম্পু করা ঠিক নয়। ঘন ঘন শ্যাম্পু ব্যবহারে চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে। এছাড়া কেমিক্যাল ছাড়া মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করাটাই চুলের জন্য ভালো।

* সপ্তাহে তিন দিন গরম তেল দিয়ে চুলের ভিতর ও মাথার তালু ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজের ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এ ম্যাসাজ চুল দ্রুত বাড়তে সাহায্য করে।

* রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ভালো করে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে শোওয়া দরকার। এতে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল ভালো হয়। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়লে চুল পড়া কমবে এবং চুলের গোড়া মজবুত হবে।

*শীতের হিম হাওয়ায় চুল থেকে না রেখে চুলে সূর্যের আলো লাগান। কেননা সূর্য থেকে প্রাপ্ত ভিটামিন ডি চুল ও ত্বকের জন্য ভীষন উপকার করে। একইসঙ্গে এটি মাথায় রক্ত চলাচলেও উন্নতি ঘটায়। এছাড়া চুলের এই যত্নগুলোর পাশাপাশি খান সুষম খাদ্য ও পচুর পরিমাণে পানি।

* কেমিক্যাল ট্রিটমেন্টকে না বলুন। চুলের সমস্যা এড়াতে অনেকেই বিউটি পার্লার থেকে কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করে থাকেন।এ ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। কেমিক্যাল ট্রিটমেন্টে চুলের সাময়িক সৌন্দর্য বাড়লেও, তা স্থায়ী হয় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: