Home » বিশ্ব » সহজ করে বলতে পারাই ছিল হকিংয়ের প্রধান শক্তি
সহজ করে বলতে পারাই ছিল হকিংয়ের প্রধান শক্তি
সহজ করে বলতে পারাই ছিল হকিংয়ের প্রধান শক্তি

সহজ করে বলতে পারাই ছিল হকিংয়ের প্রধান শক্তি

পদার্থ বিজ্ঞানের জটিল সব তথ্য সহজ এবং সরল ভাষায় উপস্থাপন করতেন স্টিফেন হকিং। তার নিজের লেখা বই পড়ে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরাও আধুনিক মহাকাশবিজ্ঞানের জটিল সব তত্ত্ব বুঝতে পারতো নিমিষেই। সহজ ভাষায় লিখতে পারাই ছিল তার অন্যতম প্রধান শক্তি।

হকিংয়ের পূর্বেও বহু বিজ্ঞানী বা বিজ্ঞানলেখক কঠিন তত্ত্ব যথাসম্ভব সহজবোধ্য করে লেখার কাজ করেছেন। স্বয়ং আইনস্টাইন নিজের আপেক্ষিকতা নিয়েও পপুলার সায়েন্সের বিভিন্ন লেখা লিখেছিলেন। কিন্তু হকিং যেন তাদের সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছেন। তার লেখা বই ‘অ্যা ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ বিক্রয় হয়েছে কোটিরও বেশি। একটানা পাঁচ বছর লন্ডন সানডে টাইমসের বেস্ট সেলার তালিকায় ছিল এই বইটি। অনুবাদ হয়েছে বাংলা-সহ আরও বহু ভাষায়।

আলবার্ট আইনস্টাইনের শেষে, আর কোনও বিজ্ঞানী এতো জনপ্রিয়তা পায়নি। তার জীবন নিয়ে সিনেমা পর্যন্ত তৈরি হয়েছে।

কিন্তু নিয়তি যেন হকিংয়ের সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করে গেছে। মাত্র ২১ বছর বয়সকালে মোটর নিউরন নামের স্নায়ুর এক মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন তিনি। তবে চিকিৎসকের ভবিষদ্বাণী আর সব অতীত ইতিহাসকে ভুল প্রমাণ করে ৭৬ বছর বয়স পর্যন্ত বাঁচলেন স্টিফেন হকিং।

প্রবাদপ্রতিম এ বিজ্ঞানীর জীবন নিয়ে ২০১৪ সালে ‘দ্য থিওরি অব এভরিথিং’ নামে একটি চলচ্চিত্র তৈরি করা হয়েছিল। ‘বিগ ব্যাং থিওরি’র প্রবক্তা স্টিফেন হকিং প্রিন্স অব অস্ট্রিয়ান্স পুরস্কার, জুলিয়াস এডগার লিলিয়েনফেল্ড পুরস্কার, উলফ পুরস্কার, কোপলি পদক, এডিংটন পদক, হিউ পদক, আলবার্ট আইনস্টাইন পদকসহ অসংখ্য পুরস্কার ও ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: