Home » প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা » GPA 5 টাকায় বিক্রির প্রমাণ নেই: শিক্ষামন্ত্রী
GPA 5 টাকায় বিক্রির প্রমাণ নেই শিক্ষামন্ত্রী
GPA 5 টাকায় বিক্রির প্রমাণ নেই শিক্ষামন্ত্রী

GPA 5 টাকায় বিক্রির প্রমাণ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ জিপিএ বিক্রির বিষয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত সংবাদে উঠে আসা তথ্যের সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বলেছেন, ‘জিপিএ ফাইভ টাকায় বিক্রি হয়, এমন প্রমাণ নেই’।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ কথা জানান শিক্ষা মন্ত্রী। তবে অভিযোগের তদন্ত চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিবেদন আসলে কিছুই লুকানো হবে না।

সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন মাছরাঙ্গায় এ বিষয়ে একটি সংবাদ প্রচার হয়েছিল। সেখানে দেখানো হয়, শিক্ষাবোর্ডের কয়েকজন কর্মকর্তা টাকা দিলে ফলাফল পাল্টে জিপিএ ফাইভ পাইয়ে দেন।

শিক্ষাবোর্ডের অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের একটি ভিডিও দেখানো হয় শিক্ষামন্ত্রীকে। ওই সংবাদে এই ভিডিও দেখার পর মন্ত্রীর বিস্ময়াভূত চেহারাও দেখানো হয়।

বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টির সত্যতার অনুসন্ধানে তদন্তে নামে। তবে এখনও কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, এমন কথা আসেনি গণমাধ্যমে।

সংসদে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের একটা খবর একটা টিভিতে প্রচার করা হয়েছে। তবে এটা প্রমাণিত হয়নি যে অমুকে জিপিএ-টু পেয়েছিল, তাকে টাকার বিনিময়ে জিপিএ- ফাইভ দেওয়া হয়েছে। এ রকম কোনো প্রমাণ নেই।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘তারপরও আমরা বোর্ড থেকে বুয়েটের একটি তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি। এছাড়া মন্ত্রণালয় থেকে আরেকটি কমিটি করেছি। যখনই এসব অভিযোগ আসে আমরা গোপন রাখি না। প্রকাশ করি।’

‘টাকার বিনিময়ে জিপিএ- ফাইভ পাইয়ে দিয়েছে। এমন একটা নাম কি তারা দিতে পারবে? একটা প্রমাণ কি দিতে পারবে?’

‘তবে আমি অভিযোগ অস্বীকার করছি না। প্রতিবেদন এলে বলতে পারব। সরাসরি অভিযোগ করলে খুবই অবিচার হবে।’

অধিবেশনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে বরাদ্দের বিরোধিতা করে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) নয় সদস্য (এমপি) ছাঁটাই প্রস্তাব দেন। এরা হলেন- ফখরুল ইমাম, নূরুল ইসলাম ওমর, সেলিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আব্দুল মুনিম চৌধুরী, রুস্তম আলী ফরাজী, রওশন আরা মান্নান, নুরুল ইসলাম মিলন, পীর ফজলুর রহমান।

বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই পর্যন্ত ১৮ হাজার ১৬৬ কোটি ৩১ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়।

ফখরুল ইমাম এ বরাদ্দের বিরোধিতা করে বলেন, ‘শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ানো দরকার। কিন্তু যে মন্ত্রণালয়ে জিপিএ ফাইভ কেনা-বেচার ঘটনা ঘটে, এগুলো খারাপ কাজ। এসব বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। যতক্ষণ এটা ঠিক না করবে, ততক্ষণ টাকা ছাড় করা ঠিক হবে না।’

রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষকরা এমপিওভূক্তির জন্য রাস্তায় বসে অনশন করছেন। তাদের বিষয়টি বিবেচনা করে বরাদ্দ বাড়ানো উচিত। তবে এসব সমস্যার সমাধান না করে বরাদ্দ বাড়িয়ে কী হবে?’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: