Home » খেলাধুলা » জুভেন্টাসের জয়ের দিনেও রোনালদোর লাল কার্ড
জুভেন্টাসের জয়ের দিনেও রোনালদোর লাল কার্ড
জুভেন্টাসের জয়ের দিনেও রোনালদোর লাল কার্ড

জুভেন্টাসের জয়ের দিনেও রোনালদোর লাল কার্ড

আগের ম্যাচে জোড়া গোল করে সিরি’আতে জুভেন্টাসকে জয় উপহার দিয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিন্তু দলটির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ অভিষেকে চোখের জলে মাঠ ছাড়লেন পর্তুগিজ এ সুপারস্টার। চ্যাম্পিয়নস লিগ ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম লাল কার্ডের দেখা পেলেন পাঁচ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা।

রোনালদোর দুঃস্বপ্নের ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জুভেন্টাস। চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পেয়েছে জুভিরা। শেষের প্রায় এক ঘন্টা দশজনের দল নিয়ে খেলা জুভেন্টাস দুটি গোলই পেয়েছে পেনাল্টি থেকে। দলটির হয়ে পেনাল্টি থেকে দুটি গোল পেয়েছেন মিরালেম পিয়ানিচ।

জুভেন্টাসের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘এইচ’ গ্রুপের অপর ম্যাচে জয় পেয়েছে রোনালদোর প্রাক্তন ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পল পগবার জোড়া গোল ইয়া বয়েজকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে হোসে মরিনহোর ম্যানইউ।

প্রতিপক্ষের মাঠ এস্তাদিও ডি মেসতাল্লায় জুভেন্টাসের দুটি গোল আসে ম্যাচের ৪৫ ও ৫১ মিনিটে। এর আগে ম্যাচের ২৯ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দলের সেরা তারকা রোনালদো। নিজের ক্যারিয়ারে এটা রোনালদোর ১১তম লাল কার্ডের ঘটনা। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে এটাই তার প্রথম। এই কার্ডের ফলে ‘এইচ’ গ্রুপের পরের ম্যাচে ইয়াং বয়েজের বিপক্ষে তার খেলা অনেকটই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

মাঠে পড়ে যাওয়া ভ্যালেন্সিয়ার জেসন মুরিয়োকে মাথায় হালকা ধাক্কা দিয়ে লাল কার্ড দেখেন রোনালদো। চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ড দেখার ইতিহাস রয়েছে জুভেন্টাসের। মোট ২৬টি লাল কার্ড দেখেছে সিরি’আর ক্লাবের খেলোয়াড়রা। এবার যোগ হলো রোনালদোর নামও। ১৫৪তম চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ খেলতে নেমে প্রথমবারের মতো লাল কার্ডের তিক্ত স্বাদ পেলেন রিয়াল মাদ্রিদের প্রাক্তন এ তারকা।

ম্যাচের ৪৫ মিনিটে ডি বক্সে কানসেলোকে ফাউল করেন ভ্যালেন্সিয়ার দানিয়েল পারেয়ো। এ সময় সফল স্পট কিকে দলকে এগিয়ে দেন পিয়ানিচ। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে কর্নারের সময় ডি-বক্সে লিওনার্দো বোনুচ্চিকে ফাউল করেন মুরিয়ো। সফল স্পট কিকে আবারো দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পিয়ানিচ। যোগ করা সময়ে পেনাল্টির দেখা পেয়েও জুভেন্টাস গোলরক্ষক ভয়চেখকে পরাস্ত করতে পারেনি ভ্যালেন্সিয়া। ফলে শেষপর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে জুভেন্টাসে।

এদিকে ইয়াং বয়েজের মাঠে ম্যাচের ৩৫ মিনিটে ম্যানইউকে এগিয়ে দেন পগবা। বিশ্রামে যাওয়ার আগেই ৪৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। এরপর স্বাগতিকদের মাঠে ৬৬ মিনিটে গোল পান অঁতনি মার্শিয়াল। শেষপর্যন্ত ৩-০ গোলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয় রেড ডেভিলসরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: