Home » অন্যান্য » ঝকঝকে দাঁতের জন্য কলার খোসার ব্যবহার
ঝকঝকে দাঁতের জন্য কলার খোসার ব্যবহার
ঝকঝকে দাঁতের জন্য কলার খোসার ব্যবহার

ঝকঝকে দাঁতের জন্য কলার খোসার ব্যবহার

কলা একটি বার মাস ব্যাপি ফল। সবারই সেরা পছন্দ কলা। তবে শিরোনাম শুনে হয়তো একটু অবাক হয়ে গেলেন যে, কলার খোসায় কিভাবে দাঁত ঝকঝকে হয়! হ্যা বিষয়টি একদমই সত্য। তবে এর জন্য আপনাকে আগে জানতে হবে এর সঠিক ব্যবহার। তবে চলুন যেনে নেয়া যাক কিভাবে এটা ব্যবহার করলে ঝকঝকে দাঁত পাওয়া সম্ভক হবে।

১। প্রথমেই বেছে নিন সঠিক কলা। দাঁত সাদা করার জন্য ঠিকভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরি। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যেগুলো এখনও নিচের দিকে একটু একটু সবুজ। এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চ মাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।

২। কলা উল্টো করে ছিলে নিন। হ্যাঁ, যেভাবে আপনি ছিলে থাকেন কলা ঠিক তার উল্টো দিক থেকে ছিলে নিন। দেখবেন যে কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উল্টো করে ছিলে নিলে এই আঁশগুলো থাকবে খোসার সাথেই।

৩। খোসা থেকে আপনার সুবিধা মতন আকারে দু’টো টুকরো কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।

৪। এবার সকালে দাঁত ব্রাশ করবার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে আপনার দাঁত খুব ভাল করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট। অর্থাৎ পুরো দুই মিনিট দাঁতকে ঘষুন।

৫। দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট করতে পারলে ভালো। এই সময়ে পানি বা অন্য কিছু খাবেন না, কিংবা কুলি করবেন না। সময়টা পেরিয়ে গেলে টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।

এবার আয়নায় তাকিয়ে দেখুন, পরিবর্তন নিজেই বুঝবেন। তবে একদিনেই আকাশ-পাতাল পার্থক্য হবে না, কারণ এটা তো আর ডিসটেম্পার নয় যে রঙ করে দিলেন। ৪/৫ দিন এমন করার পরেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে। যারা ধূমপান করেন, তাদের ক্ষেত্রেও কাজ করবে এই পদ্ধতি। তবে ব্যবহার করতে হবে বেশ দীর্ঘদিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: