Home » বিশ্ব » মুখে দাড়ি নিয়ে সাফল্যের শিখরে কে এই তরুনী!!

মুখে দাড়ি নিয়ে সাফল্যের শিখরে কে এই তরুনী!!

পুরুষের মুখে দাড়ি থাকবে এটা তো স্বাভাবিক। কিন্তু এবার নারীর মুখেও দাড়ি রদখা গেলো। তবে এটা কোনো নতুন ঘটনা নয়। তবে পৃথিবীর সবচেয়ে কম বয়সী দাড়িওয়ালা নারীর তালিকায় প্রথম হলেন হারনাম কাউর। তার টানা টানা চোখে যখন প্রথমবার পুরুষের মতো দাড়ি দেখা গিয়েছিলো তখন তার পরিবার এবং আপনজনদের মধ্যে অনেকেই হতাশ হয়েছিলেন। অনেকেই এটাকে অভিশাপের ফল হিসেবেও ভেবেছিলেন।

কিন্তু প্রথমদিকে অস্বস্তি বোধ করলেও এক সময় দাড়িতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন কাউর। আর এভাবেই নিজেকে খুশি রাখতে চান তিনি। কিন্তু যে দাড়ির জন্য এক সময় সবার কাছে তাঁকে হেয় হতে হয়েছে সেটাই যে একদিন তার জীবনে আশীর্বাদ হিসেবে দেখা দেবে এটা হয়তো কখনোই তিনি ভাবেননি। কিন্তু এমনটিই ঘটেছে ২৪ বছর বয়সী হারনাম কাউরের জীবনে।

সবচেয়ে কমবয়সী পূর্ণ দাড়িওয়ালা নারী হিসেবে তাঁর নাম ওঠেছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। হারনামের দাড়ি এখন ছয় ইঞ্চি লম্বা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি এতে সম্মানিত বোধ করছি।’

শরীরে হরমোনজনিত সমস্যার কারণে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে আক্রান্ত হন মডেল হারনাম কাউর। আর এ কারণেই তার শরীরে লোম ও চুলের দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে। অনেক কম বয়স থেকেই তার এ সমস্যা দেখা দেয়। প্রথম দিকে নিজের গোফ লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন কাউর। কিন্তু মাসে তিন-চার বার এগুলো পরিষ্কার করা তার জন্য কষ্টকর ছিলো। তাছাড়া তিনি শিখ ধর্মে দীক্ষা নেন। যে ধর্মে চুল দাড়ি কাটা নিষিদ্ধ। তাই পরে তিনি আর কখনো দাড়ি কাটেননি।

নিজের মুখের এই দাড়ি নিয়ে যথেষ্টই সুখী হারনাম। বিভিন্ন সময় তাঁর প্রমাণও তিনি দিয়েছেন। এই দাড়ি নিয়েই বিভিন্ন সাজে মডেলিং করেছেন। দাড়িওয়ালা কোনো নারী হিসেবে ২০১৬ সালের মার্চে লন্ডন ফ্যাশন উইকে তিনিই প্রথমবার শিখদের পাগড়ি পরে রানওয়েতে হেঁটেছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: